Waiting List Class 9 Motijheel Branch   |   Waiting List Class 9 Banasree Branch   |  

প্রতিষ্ঠানের ইতিহাস

 
প্রতিষ্ঠা : মতিঝিল এজিবি কলোনির শিক্ষানুরাগী বাসিন্দাদের উদ্যোগে ১৯৬৫ সালের ১৫ মার্চ ঢাকার প্রাণকেন্দ্র মতিঝিলে আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। ১৯৬৮ সালে জুনিয়র স্কুল এবং স্বাধীনতার পর জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাসনামলে ১৯৭২ সালে এটি পূর্ণাঙ্গ হাই স্কুলে উন্নীত হয়। ১৯৭৩ সালে এই স্কুলের শিক্ষার্থীরা প্রকমবারের মত এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ঈর্ষণীয় ফলাফল অর্জন করে। পরবর্তীতে ১৯৯০-৯১ শিক্ষা বছরে সরকারের নির্দেশে মতিঝিল ক্যাম্পাসে স্কুল ভবনের পূর্বদিকে ছাত্রীদের জন্য কলেজ শাখা চালু করা হয়। (মতিঝিল ক্যাম্পাসের ১ একর ১৮ শতাংশ জমি ১৯৮০ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান প্রতিষ্ঠানের নামে বরাদ্দ করেন।) প্রতিষ্ঠাকাল থেকে প্রতিষ্ঠানটি স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য নিয়ে সগৌরবে এগিয়ে চলছে। বরাবর এ প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীরা ঈর্ষণীয় ফলাফল অর্জন করছে। এসএসসি পরীক্ষায় ছাত্র-ছাত্রীদের ফলাফল দেশ জুড়ে সকলের বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী ও জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষাতেও একই ধরনের ফলাফল শিক্ষার্থীরা অর্জন করছে। শিক্ষাসম্পূরক কার্যμমেও এ প্রতিষ্ঠানের সাফল্য বরাবর উল্লেখযোগ্য। এই সাফল্যের পেছনে রয়েছে প্রতিষ্ঠানের দক্ষ প্রশাসন ও শিক্ষকবৃন্দের আন্তরিকতা ও মেধা। এখানে প্রতিষ্ঠানের সাবেক অধ্যক্ষ মরহুম মোঃ ফয়জুর রহমানের নাম বিশেষভাবে স্মরণীয়। প্রতিষ্ঠানটিতে রয়েছে ডিবেটিং ক্লাব, বিজ্ঞান ক্লাব, সাংস্কৃতিক পরিষদ, ইংলিশ সোসাইটি এবং অত্যন্ত চৌকস বিএনসিসি ও স্কাউট দল। মহান ভাষা সৈনিকদের স্মরণে ২০০৯ সালে গভর্নিং বডির উদ্যোগে প্রতিষ্ঠানের মতিঝিল ক্যাম্পাসে নির্মিত হয়েছে শহিদ মিনার।ইংলিশ ভার্সন প্রতিষ্ঠা : ২০০৩ সালে মতিঝিল ক্যাম্পাসে ৬ষ্ঠ ও ৭ম শ্রেণিতে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তির মাধ্যমে ইংলিশ ভার্সন চালু হয়। ২০০৫ সালে ইংরেজি ভার্সনে প্রথম শ্রেণিতে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি এবং পর্যায়μমে ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত উন্নীত করা হয়। ২০০৬ সালের অক্টোবর মাসে গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এর কাছ থেকে স্কুল বিল্ডিং সংলগ্ন ১২ শতাংশ জমি μয় করা হয়। ২০০৯ সালে নতুন গভর্নিং বডি দায়িত্ব গ্রহণ করার পর উক্ত জমির ওপর প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব অর্থায়নে প্রায় দশ কোটি টাকা ব্যয়ে বার তলা ভিতবিশিষ্ট ইংলিশ ভার্সনের জন্য নতুন ভবন নির্মাণ কাজ শুরু করা হয় এবং বর্তমানে এই ভবনটিতে ইংলিশ ভার্সন স্থানান্তর করে পাঠদানের কার্যক্রম চলছে।বনশ্রী ব্রাঞ্চ প্রতিষ্ঠা : ১৯৯৬ সালে খিলগাঁও (বর্তমানে রামপুরা) থানার বনশ্রী আবাসিক প্রকল্প এলাকায় প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব অর্থায়নে ছয় বিঘা জমি μয় কেেসমিপাকা ভবনে ১ম শ্রেণি থেকে ৮ম শ্রেণি পর্যন্ত মোট ৭০২ জন ছাত্র-ছাত্রী নিয়ে বনশ্রী ব্রাঞ্চ যাত্রা শুরু করে। অতঃপর পর্যায়μমে এ ব্রাঞ্চ ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত উন্নীত করা হয়। পরবর্তীতে গভর্নিং বডি প্রতিষ্ঠানের চাহিদা মোতাবেক বহুতল বিশিষ্ট ইমারত নির্মাণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। ২০০৫ সালের ২৭ আগস্ট স্কুল ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয় এবং প্রস্তাবিত এ ভবনটি সর্বোচ্চ ৬ তলা করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। বর্তমানে চার তলা বিশিষ্ট এ স্কুল ভবনের প্রতি তলার ক্ষেত্রফল ১৪,৫০০ বর্গফুট। ২০০৬ সালের ৫ অক্টোবর তারিখে নবনির্মিত এ ভবনের উদ্বোধন করা হয়। ২০০৭ সালের জানুয়ারি মাস থেকে বিদ্যালয়ের সকল কার্যμম এ নতুন ভবনে পরিচালিত হয়ে আসছে। ২০১২ সালে নির্বাচিত গভর্নিং বডি দায়িত্ব গ্রহণের পর বনশ্রী ক্যাম্পাসে প্রথম থেকে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত তিনশত ছাত্র-ছাত্রী নিয়ে খোলা হয়েছে নতুন ইংলিশ ভার্সন। ২০১৪ সালে দশতলা ভিতবিশিষ্ট একটি দালানের দোতলা পর্যন্ত সরকারি খরচে সম্পন্ন হয়েছে এবং অবশিষ্টাংশ এর কাজ অব্যাহত রয়েছে। মুগদা ব্রাঞ্চ প্রতিষ্ঠা : ২০০৯ সালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার গঠিত হওয়ার পর স্থানীয় সংসদ সদস্য (ঢাকা-৮) জনাব রাশেদ খান মেনন-এর তত্ত্বাবধানে প্রতিষ্ঠানটিতে নতুন গভর্নিং বডি গঠিত হয়। এ সময় খিলগাঁও-সবুজবাগ এলাকার জনগণের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণে এবং আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে ভর্তিচ্ছুছাত্র-ছাত্রীর চাহিদা মেটাতে সবুজবাগ থানার মুগদায় প্রতিষ্ঠানের একটি ব্রাঞ্চ খোলার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি জনাব রাশেদ খান মেনন এমপি- এর নেতৃত্বে গভর্নিং বডির সকল সদস্যের অক্লান্ত পরিশ্রম ও ঢাকা-৯ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব সাবের হোসেন চৌধুরীর আন্তরিক প্রচেষ্টা ও সার্বিক সহযোগিতায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা মুগদা ব্রাঞ্চের জন্য এক একর জমি বরাদ্দ করেন এবং সেখানে সেমিপাকা ভবন নির্মাণ করা হয়। ২০১১ সালের ২ মার্চ থেকে ৮ম শ্রেণি পর্যন্ত ১৭৫৭ জন ছাত্র-ছাত্রী নিয়ে পাঠদান কার্যμম শুরু হয়। ২০১১ সালে ৮ জুন তারিখে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা প্রতিষ্ঠানটির প্রস্তাবিত নতুন একাডেমিক ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন এবং একই দিনে এ ব্রাঞ্চটির আনুষ্ঠানিকভাবে শুভ উদ্বোধন করেন। এই অসাধ্যকে সাধন করার পেছনে শক্তি যুগিয়েছে আত্মবিশ্বাস, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, প্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষক-কর্মচারির অকুণ্ঠ সহযোগিতা, যার মূল শক্তি ছিল স্থানীয় সংসদ সদস্য জনাব সাবের হোসেন চৌধুরীর আন্তরিক সহযোগিতা এবং প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং বডির সভাপতি জনাব রাশেদ খান মেনন এমপি-এর নেতৃত্ব এবং গভর্নিং বডি ও প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ড. শাহান আরা বেগমের অক্লান্ত পরিশ্রম।
 

প্রয়োজনীয় লিংক

ঢাকা শিক্ষা বোর্ড
------------------------------------------------------------------------------------
শিক্ষা অধিদপ্তর
------------------------------------------------------------------------------------
ব্যানবেইস
------------------------------------------------------------------------------------
সকল লিংক দেখুন

ডিজিটাল কনটেন্ট

বাণী চিরন্তণী

    মানুষের সাথে তাদের বুদ্ধি পরিমাণ কথা বলো    যে নিজে সতর্কতা অবলম্বন করে না, দেহরক্ষী তাকে বাঁচাতে পারে না    তোমার যা ভাললাগে তাই জগৎকে দান কর, বিনিময়ে তুমিও অনেক ভালো জিনিস লাভ...    সব দুঃখের মূল এই দুনিয়ার প্রতি অত্যাধিক আকর্ষণ    অসৎ লোক কাউকে সৎ মনে করে না, সকলকেই সে নিজের মতো ভাবে ...... হযরত আলী (রাঃ)
--------------------------------------------------------------------------------------
When trying to identify the authenticity of an swiss watches IWC , you can look for a few things easily. At first, we would suggest you can examine the overall quality of materials and construction closely. IWC watches are made of high quality materials, while Replica Watcheswill appear somewhat lesser in build quality. This may be very hard to determine, however, if you can not do a side-by-side comparison, Pay special attention to the detail on the dial and date wheels. Is there any unevenness? This is a tell-tale sign of an inferior replica Watches Replica . The majority of IWC replica handbags use an Asian movement of one sort or others that effectively replicates the original movements which are found inside real IWC watches. Some of the newer replicas, including several chronographs, Big Swiss replica watches Pilots, IWC Portuguese, and several other Designer Replica Handbags models, contain ETA movements.